"আদর্শ হিন্দু হোটেল"। নিঃসন্দেহে এটি বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় এর সেরা সৃষ্টি গুলোর মধ্যে একটি।
পয়তাল্লিশোর্ধো " রাঁধুনি বামুন" হাজারি ঠাকুর, যিনি তার রন্ধন বিদ্যাকে নিয়ে গেছেন শিল্পের পর্যায়ে। জীবিকার তাগিদে রানাঘাটের রেল বাজারে বেচু চক্কত্তির হোটেলে সাত টাকা মাহিনায় চাকুরি নেন হাজারি ঠাকুর। বেচু চক্কত্তির হোটেলে খদ্দের, অন্যসব হোটেলের চাইতে বেশি থাকারও মূল কারন হাজারী ঠাকুরের হাতের রান্নার স্বাদ।
যারা একবার তার হাতের রান্না খেয়েছে, তারা বারবার বেচু চক্কত্তির হোটেলে এসেছে শুধুমাত্র হাজারি ঠাকুরের হাতের রান্না খাওয়ার জন্য।
বেচু চক্কত্তি হোটেলের মালিক হলেও, হোটেল এর সর্বেসর্বা যে ছিলো সে হলো হাজারি ঠাকুরের পদ্ম দিদি তথা পদ্ম ঝি।
হোটেলের পদ্ম ঝি ই একমাত্র মানুষ যে হাজারি ঠাকুরকে দেখতে পারতো নাহ।বহুবার এই পদ্ম ঝি, হাজরী ঠাকুরের নামে মিথ্যে দোষারোপ করে বেচু চক্কত্তির কাছে অপদস্ত করেছে। হাজারী ঠাকুরকে পদে পদে অপমান করতে থাকে এই পদ্ম ঝি। সবকিছুর পরেও, পদ্ম ঝি কে তার প্রাপ্য সম্মান দেয়ার ক্ষেত্রে বিন্দু পরিমাণ কমতি রাখেননি হাজারী ঠাকুর, বরং মুখ ভুজে সহ্য করে গেছেন সব।কিন্তু শেষ রক্ষে হলো নাহ। পদ্ম ঝি এর ষড়যন্ত্রে শেষ মেশ বেচু চক্কত্তির হোটেল ছাড়তে হয় হাজরী ঠাকুরকে। কর্মহীন হয়ে পড়েন তিনি।
হাজরী ঠাকুরের বড় ইচ্ছে ছিলো, তিনি একটি হোটেল খুলবেন!যে হোটেলে কোনো পঁচা বা বাসি খাবার থাকবে নাহ।খদ্দের এর সাথে ভালো ব্যবহার করবেন, গরিবদের বিনামূল্যে খাওয়াবেন। প্রয়োজন শ চারেক টাকা। কিন্তু এতো টাকা তাকে কে দিবে? এসময় হাজারী ঠাকুরের ধর্মের মেয়ে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে। শত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে দাড় কারন তার নিজের হোটেল। একটা সময় তার কাছে সুযোগ আছে পূর্বে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনার প্রতিশোধ নেয়ার। বেচু চক্কত্তি ও পদ্ম ঝি এর প্রতিশোধ নেয়ার।
হাজারী ঠাকুর কি তাদের অপকর্মের উচিত শিক্ষা দিয়েছিলেন? বেচু চক্কত্তি ও পদ্ম ঝি কি তাদের ভুল বুঝতে পারে?
জানতে হলে, এখনই সংগ্রহ করুন বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় এর "আদর্শ হিন্দু হোটেল" বইটি।
নিঃসন্দেহে এটি একটি অনুপ্রেরণামূলক বই, ঘুরে দাড়ানোর বই।
বইটি অর্ডার করতে ইনবক্স করুন রঙমশাল পেজ এ।
Previous Prize: 190 Offer Prize: 170



Comments
Post a Comment